বাংলা সাহিত্য
Chapter: অতি গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক
📝 158 Questions
📄 Showing 1-10
All Sub-chapters
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
কাজী নজরুল ইসলাম
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
জীবনান্দ দাশ
জসীমউদদীন
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
শামসুর রাহমান
মীর মশাররফ হোসেন
হুমায়ূন আহমেদ
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
মুনীর চৌধুরী
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রমথ চৌধুরী
সৈয়দ শামসুল হক
দীনবন্ধু মিত্র
জহির রায়হান
ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
questions per page
Page 1 of 16
Q1
'Stop Genocide' চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
a
চাষী নজরুল ইসলাম
✅ Correct
b
হুমায়ূন আহমেদ
✅ Correct
c
জহির রায়হান
✅ Correct
d
তারেক মাসুদ
✅ Correct
💡
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র 'স্টপ জেনোসাইড' এর পরিচালক জহির রায়হান। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ভারতে আশ্রয়গ্রহণকারী বাঙালিদের দুঃখ-দুর্দশা, পাকিস্তানের হানাদার সামরিক বাহিনীর হত্যাযজ্ঞ, ভারতে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের দিনকাল প্রভৃতি বিষয় নিয়ে ২০ মিনিট দৈর্ঘ্যের এ তথ্যচিত্রটি তিনি নির্মাণ করেন।
Q2
বেগম রোকেয়া কখন এবং কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
a
১৮৭৯ সালে রংপুর জেলায়
✅ Correct
b
১৮৮০ সালে রংপুর জেলায়
✅ Correct
c
১৮৭০ সালে গাইবান্ধা জেলায়
✅ Correct
d
১৮৮১ সালে নীলফামারী জেলায়
✅ Correct
💡
Explanation:
মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ৯ ডিসেম্বর, ১৮৮০ সালে রংপুর জেলার পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ৯ ডিসেম্বর, ১৯৩২ সালে মারা যান।
Q3
কাজী নজরুল ইসলামের রচিত গল্প কোনটি?
a
পদ্মগোখরা
✅ Correct
b
পদ্মপুরাণ
✅ Correct
c
পদ্মাবতী
✅ Correct
d
পদ্মরাগ
✅ Correct
💡
Explanation:
কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ। 'শিউলিমালা' (১৯৩১)। পদ্ম-গোখরা, জিনের বাদশা, অগ্নি-গিরি, শিউলিমালা- এ চারটি গল্প নিয়েই 'শিউলিমালা' গ্রন্থটি রচিত। পদ্মগোখরা গল্প অবলম্বনে ১৯৭১ সালে খান আতাউর রহমান 'সুখ-দুঃখ' এবং ১৯৭৬ সালে মুস্তাফিজ 'মায়ার বাঁধন' নামক চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। মনসামঙ্গল কাব্যের কবি বিজয়গুপ্ত রচিত মনসামঙ্গল কাব্যগ্রন্থের একটি অংশের নাম 'পদ্মপুরাণ'। বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত উপন্যাস 'পদ্মরাগ' (১৯২৪)। মালিক মুহম্মদ জায়সীর হিন্দি ভাষায় রচিত 'পদুমাবৎ' অবলম্বনে আলাওল রচনা করেন 'পদ্মাবতী' (১৬৪৮)।
Q4
মাতৃভাষায় যাহার ভক্তি নাই সে মানুষ নহে'- উক্তিটি কার?
a
মুনীর চৌধুরী
✅ Correct
b
মীর মশাররফ হোসেন
✅ Correct
c
হুমায়ুন আজাদ
✅ Correct
d
স্বর্ণকুমারী দেবী
✅ Correct
💡
Explanation:
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক মীর মশাররফ হোসেন ধর্মীয় গোঁড়ামিকে প্রশ্রয় দেননি। তিনি মাতৃভাষার মধ্যে কোনো ধর্মীয় বিভেদ রেখা টানতে চাননি এবং ভাষার ব্যবহারের মাধ্যমে মুসলমানিত্ব এবং বাঙালিত্ব প্রভৃতি প্রভেদ তৈরি হোক তা অগ্রাহ্য করেছেন। তাই তিনি নবাব আবদুল লতিফ কর্তৃক দেখানো 'মুসলমানি বাংলা'কে অস্বীকার করেছেন এবং 'আমাদের শিক্ষা' নামক প্রবন্ধে উল্লেখ করেছেন, "বঙ্গবাসী মুসলমানদের দেশভাষা বা মাতৃভাষা 'বাঙ্গালা'। মাতৃভাষায় যাহার আস্থা নাই, সে মানুষ নহে।"
Q5
"রূপসার ঘোলা জলে হয়তো কিশোর এক সাদা ছেঁড়া পালে ডিঙা বায়"- কবিতার চরণে কবি কোন রূপসার কথা বলেছেন?
a
রূপসী ডিঙা
✅ Correct
b
রূপসী বাংলা
✅ Correct
c
রূপসা নদী
✅ Correct
d
গ্রামবাংলার নদী
✅ Correct
💡
Explanation:
জীবনানন্দ দাশ রচিত কাব্য 'রূপসী বাংলা' (১৯৫৭) এর কবিতা 'আবার আসিব ফিরে' এর বিখ্যাত পঙ্ক্তি-'রূপসার ঘোলা জলে হয়তো কিশোর এক সাদা ছেঁড়া পালে ডিঙা বায়।' এ পঙ্ক্তির 'রূপসা' বলতে কবি খুলনা অঞ্চলের বিখ্যাত রূপসা নদীকে বোঝাতে চেয়েছেন। উল্লেখ্য, ঝালকাঠি জেলায়ও রূপসা নামে নদী রয়েছে। [সূত্র: ৮ম শ্রেণির বোর্ড বই।
Q6
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জাতীয় সংগীতের সুর নিয়েছেন কোন গানের সুর থেকে?
a
বাউল
✅ Correct
b
ভাটিয়ালি
✅ Correct
c
মুর্শিদি
✅ Correct
d
ভাওয়াইয়া
✅ Correct
💡
Explanation:
গগন হরকরার বাউল গান 'আমি কোথায় পাব তারে' এর সুরের অনুকরণে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত 'আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি' এর সুরারোপ করেন। ৭ আগস্ট, ১৯০৫ সালে (১৩১২ বঙ্গাব্দ) কলকাতার টাউন হলে বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে আয়োজিত একটি সভায় গানটি প্রথম গীত হয়েছিল। ৭সেপ্টেম্বর, ১৯০৫ সালে রবীন্দ্রনাথের স্বাক্ষরে সঞ্জীবনী পত্রিকায় গানটি মুদ্রিত হয়। একই বছরে 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকার আশ্বিন সংখ্যাতেও গানটি প্রকাশিত হয়েছিল। পরবর্তীতে গানটি রবীন্দ্রনাথের 'গীতবিতান' গ্রন্থের স্বরবিতানের স্বদেশ পর্যায়ে অন্তর্ভুক্ত হয়। ২৫ চরণ বিশিষ্ট এই গানের / কবিতার প্রথম ১০ চরণ বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে স্বাধীনতার ইশতেহারে ৩ মার্চ, ১৯৭১ সালে ঘোষণা করা হয়। জাতীয় সংগীত পরিবেশনের বিধানুযায়ী, কণ্ঠে গাইতে গেলে ১০ চরণ আর যন্ত্র সংগীতে বাজাতে গেলে চার চরণ পর্যন্ত বাজাতে হয়।
Q7
'আমরা হিন্দু বা মুসলিম যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি'- কে বলেছিলেন?
a
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
✅ Correct
b
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
✅ Correct
c
কাজী নজরুল ইসলাম
✅ Correct
d
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
✅ Correct
💡
Explanation:
পাকিস্তান সৃষ্টির পর যখন পশ্চিম পাকিস্তান উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে, তখন ৩১ ডিসেম্বর, ১৯৪৮ সালে ঢাকায় 'পূর্ব পাকিস্তান সাহিত্য সম্মেলন' এর সভাপতির অভিভাষণে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বলেন, "আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি। .... এটি কোনো আদর্শের কথা নয়; এটি একটি বাস্তব সত্য। মা প্রকৃতি নিজের হাতে আমাদের চেহারায় ও ভাষায় বাঙালিত্বের এমন ছাপ মেরে দিয়েছেন যে মালা-তিলক-টিকিতে কিংবা টুপি-লুঙ্গি-দাড়িতে ঢাকবার জো-টি নেই।"
Q8
'অঙ্গ জুড়ায় তোমার ছায়ায় এসে'- এখানে 'ছায়া' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
a
জন্মভূমির আশ্রয়
✅ Correct
b
জন্মভূমির প্রকৃতি
✅ Correct
c
মায়ের কোল
✅ Correct
d
গাছের ছায়া
✅ Correct
💡
Explanation:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গভীর দেশপ্রেমমূলক 'জন্মভূমি' কবিতার 'অঙ্গ জুড়ায় তোমার ছায়ায় এসে' পঙ্ক্তির 'ছায়া' বলতে নিজ জন্মভূমিতে আশ্রয় পাওয়ার কথা বোঝাতে চেয়েছেন এবং এ বাংলার মাটিতে শেষ আশ্রয় খুঁজেছেন। কারণ, মাতৃভূমির সূর্যালোকে কবির চোখ পরিপূর্ণভাবে জুড়িয়েছে এবং এই মাতৃভূমির স্নেহছায়ায় সুখ ও শান্তি লাভ করেছেন।
Q9
২০২২ সালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কততম জন্মদিন পালন করা হলো?
a
১২৫
✅ Correct
b
১২৩
✅ Correct
c
১২৪
✅ Correct
d
১২৬
✅ Correct
💡
Explanation:
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ২৪ মে, ১৮৯৯ সালে (১১ জ্যৈষ্ঠ, ১৩০৬ বঙ্গাব্দ) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোলের চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ২৪ মে, ২০২২ সালে তাঁর ১২৩তম জন্মবার্ষিকী এবং ১২৪তম জন্মদিন পালন করা হয়।
Q10
সাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেনের জন্মস্থান কোন জেলায়?
a
টাঙ্গাইল
✅ Correct
b
পাবনা
✅ Correct
c
ফেনী
✅ Correct
d
কুষ্টিয়া
✅ Correct
💡
Explanation:
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক মীর মশাররফ হোসেন ১৩ নভেম্বর, ১৮৪৭ সালে কুষ্টিয়া জেলা কুমারখালি উপজেলার লাহিনীপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর ছদ্মনাম গাজী মিয়া। তিনি ১৯ ডিসেম্বর, ১৯১১ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর রচিত উপন্যাসসমূহ: 'রত্নবর্তী' (১৮৬৯), 'বিষাদসিন্ধু' (১৮৮৫-৯১), 'উদাসীন পথিকের মনের কথা' (১৮৯০), 'তাহমিনা' (১৮৯৭)। নাটকসমূহঃ 'বসন্তকুমারী' (১৮৭৩), 'জমীদার দর্পণ' (১৮৭৩), 'বেহুলা গীতাভিনয়' (১৮৮৯), 'নিয়তি কি অবনতি' (১৮৮৯), 'টালা অভিনয়' (১৮৯৭)। আত্মজীবনী: 'গাজী মিয়ার বস্তানী' (১৮৯৯), 'আমার জীবনী' (১৯১০), 'কুলসুম জীবনী' (১৯১০)। প্রহসন: 'এর উপায় কি' (১৮৭৫), 'ভাই ভাই এইতো চাই' (১৮৯৯), 'ফাঁস কাগজ', 'বাঁধা খাতা' (১৮৯৯)। প্রবন্ধ: 'গো-জীবন' (১৮৮৯), 'এসলামের জয়'।