বাংলা সাহিত্য
Chapter: প্রাচীন যুগ
📝 21 Questions
📄 Showing 1-10
questions per page
Page 1 of 3
Q1
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী প্রথম কোথা থেকে 'চর্যাপদ' আবিষ্কার করেন?
a
শ্রীলংকার গ্রন্থাগার
✅ Correct
b
ভারতের গ্রন্থাগার
✅ Correct
c
নেপালের রাজদরবার
✅ Correct
d
চীনের রাজদরবার
✅ Correct
💡
Explanation:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন 'চর্যাপদ' গানের সংকলন বা সাধন সংগীত, যা বৌদ্ধ সহজিয়াগণ রচনা করেন। এতে বিধৃত হয়েছে বৌদ্ধ ধর্মের তত্ত্বকথা। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার (রয়েল লাইব্রেরি) থেকে 'চর্যাপদ' আবিষ্কার করেন। তাঁর সম্পাদনায় ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতার 'বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ' থেকে 'চর্যাচর্যবিনিশ্চয়', 'ডাকার্ণব', 'সরহপাদের দোহা' ও 'কৃষ্ণপাদের দোহা' গ্রন্থের সম্মিলনে 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে প্রকাশিত হয়। এতে পদসংখ্যা ৫১টি এবং পদকর্তা ২৪ জন। প্রথম পদের রচয়িতা লুইপা। চর্যাপদের সর্বোচ্চ ১৩টি পদের রচয়িতা কাহ্নপা।
Q2
চর্যাপদ কোন ছন্দে লেখা?
a
স্বরবৃত্ত
✅ Correct
b
অক্ষরবৃত্ত
✅ Correct
c
নিম্নবৃত্ত
✅ Correct
d
মাত্রাবৃত্ত
✅ Correct
💡
Explanation:
প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদ গানের সংকলন বা সাধন সংগীত, যা বৌদ্ধ সহজিয়াগণ রচনা করেন। এতে বিধৃত হয়েছে বৌদ্ধ ধর্মের তত্ত্বকথা। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার (রয়েল লাইব্রেরি) থেকে 'চর্যাপদ' আবিষ্কার করেন। এটি সান্ধ্য ভাষায় মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত। যে কাব্য ছন্দে মূল পর্ব চার, পাঁচ, ছয় বা সাত মাত্রার হয় এবং যা মধ্যম লয়ে পাঠ করা হয়, তাঁকে মাত্রাবৃত্ত ছন্দ বলে। উদাহরণ-
কাআ তরুবর / পঞ্চ বি ডাল (৬+৬)
চঞ্চল চীএ / পইঠো কাল (৬+৫)
Q3
বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন কোনটি?
a
মহাভারত
✅ Correct
b
বঙ্গনামা
✅ Correct
c
রামায়ণ
✅ Correct
d
চর্যাপদ
✅ Correct
💡
Explanation:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদ। ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার থেকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এটি আবিষ্কার করেন। এটি মূলত সাধন সংগীত যা বৌদ্ধ সহজিয়াগণ রচনা করেন। চর্যাপদের মোট পদ ৫১টি।
Q4
বাংলা সাহিত্যের পঠন-পাঠনের সুবিধার জন্য বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে তিনটি যুগে ভাগ করা হয়েছে-বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ।
a
৬৫০ ১২৫০
✅ Correct
b
৬৫০-১২০০
✅ Correct
c
৬৫০-৮৫০
✅ Correct
d
৪৫০-৬৫০
✅ Correct
💡
Explanation:
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে প্রধানত তিনটি যুগে ভাগ করা হয়েছে। যথা: ক. প্রাচীন বা আদি যুগ (৬৫০-১২০০) খ. মধ্যযুগ (১২০১-১৮০০) এবং গ. আধুনিক যুগ (১৮০১-বর্তমান পর্যন্ত)।
Q5
'চর্যাপদ' কত সালে আবিষ্কৃত হয়?
a
১৯০৯
✅ Correct
b
১৯০৭
✅ Correct
c
১৮৫৭
✅ Correct
d
১৮০০
✅ Correct
💡
Explanation:
বাংলা ভাষার প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন 'চর্যাপদ' মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কর্তৃক ১৯০৭ সালে নেপালের রাজগ্রন্থাগার থেকে আবিষ্কৃত হয়। বৌদ্ধ সহজিয়াগণের রচিত চর্যাপদ ১৯১৬ সালে কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে আধুনিক লিপিতে প্রকাশিত হয়। চর্যার পুঁথিতে ৫১টি গান ছিল; যার সাড়ে ৪৬টি পাওয়া গেছে।
Q6
চর্যাপদ কোন ছন্দে লেখা?
a
অমিত্রাক্ষর ছন্দ
✅ Correct
b
স্বরবৃত্ত
✅ Correct
c
মাত্রাবৃত্ত
✅ Correct
d
অক্ষরবৃত্ত
✅ Correct
💡
Explanation:
চর্যাপদের ভাষা মূলত প্রাচীন বাংলা। এর পদগুলো প্রাচীন কোন ছন্দে রচিত তা আজ বলা সম্ভব নয়। কারও মতে, চর্যাপদ চার মাত্রার চালভিত্তিক ঘোল মাত্রার পাদ্যবুলক ছন্দ, কারও মতে, পজকটিকা ছন্দ, কারও মতে, অপভ্রংশ-অবহট্ঠ রচনায় ব্যবহৃত ছন্দের অনুকরণ। তবে আধুনিক ছন্দের বিচারে চর্যাপদের পদগুলো মাত্রাবৃত্ত ছন্দে লেখা। মাত্রাবৃত্ত রীতিতে গঠিত হলেও মাত্রাবৃত্তের বর্তমান সুনির্দিষ্ট গণনা পদ্ধতি এতে মানা হয়নি।
Q7
চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয় কোথা থেকে?
a
সুদূর চীন দেশ থেকে
✅ Correct
b
নেপালের রাজগ্রন্থশালা থেকে
✅ Correct
c
আরাকান রাজগ্রন্থাগার থেকে
✅ Correct
d
বাঁকুড়ার এক গৃহস্থের গোয়াল ঘর থেকে
✅ Correct
💡
Explanation:
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন 'চর্যাপদ'। 'চর্যাপদ' হলো গানের সংকলন, যা রচনা করেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজগ্রন্থশালা তথা নেপালের রয়েল লাইব্রেরি থেকে ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে 'চর্যাপদ' আবিষ্কার করেন।
Q8
বাংলা সাহিত্যের আদি কবি কে?
a
ভুসুকুপা
✅ Correct
b
চেণ্ডনপা
✅ Correct
c
কাহ্নপা
✅ Correct
d
লুইপা
✅ Correct
💡
Explanation:
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নির্ভরযোগ্য নিদর্শন চর্যাপদ। চর্যাপদে ২৩, মতান্তরে ২৪ জন কবি ছিলেন। চর্যাপদের পদসংখ্যা হলো ৫১টি। ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১নং পদের পদকর্তা হিসেবে লুইপার নাম পান। তাই, তার মতে বাংলা সাহিত্যের আদি কবি লুইপা। কিন্তু ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা সাহিত্যের আদি কবি হলো শবরপা।
Q9
কোন্ কবি নিজেকে বাঙালি বলে পরিচয় দিয়েছেন?
a
ভুসুকু পা
✅ Correct
b
কাহ্ন পা
✅ Correct
c
কায়কোবাদ
✅ Correct
d
গোবিন্দ দাস
✅ Correct
💡
Explanation:
'আজি ভুসুকু বঙ্গালী ভইলী/নিঅ ঘরিণী চণ্ডালে লেলী। 'ভুসুকু পার এ উক্তিকে প্রমাণস্বরূপ হিসেবে তাকে বাঙালি মনে করা হয়। তার রচিত ৮টি পদ চর্যাপদ গ্রন্থে সংগৃহীত হয়েছে, যা চর্যাগীতি রচনায় সংখ্যাধিক্যে দ্বিতীয়। ভুসুকু নামটিকে ছদ্মনাম বলে মনে করা হয়। তার প্রকৃত নাম শান্তিদের।
Q10
বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয় কত সালে?
a
১৯১৬
✅ Correct
b
১৯০৯
✅ Correct
c
১৯০৭
✅ Correct
d
২০০৭
✅ Correct
💡
Explanation:
বাংলা ভাষার প্রাচীন যুগের একমাত্র নির্ভরযোগ্য নিদর্শন চর্যাপদ মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কর্তৃক ১৯০৭ সালে নেপালের রাজগ্রন্থাগার থেকে আবিষ্কৃত হয়। বৌদ্ধ সহজিয়াগণের রচিত চর্যাপদ ১৯১৬ সালে কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে আধুনিক লিপিতে প্রকাশিত হয়। এর সম্পাদনা করেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। চর্যার প্রাপ্ত পুঁথিতে ৫১টি গান ছিল; যার সাড়ে ৪৬টি পাওয়া গেছে।