বাংলাদেশ বিষয়াবলি
Study all questions from বাংলাদেশ বিষয়াবলি subject
📝 174 Questions
📄 Showing 141-150
questions per page
Page 15 of 18
Q141
বাংলাদেশের কোন জেলার সাথে ভারত এবং মিয়ানমারের সীমান্ত রয়েছে?
a
কক্সবাজার
✅ Correct
b
বান্দরবান
✅ Correct
c
খাগড়াছড়ি
✅ Correct
d
রাঙামাটি
✅ Correct
💡
Explanation:
বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা ৩২টি। ভারতের সাথে ৩০টি এবং মায়ানমারের সাথে ৩টি জেলা। ভারত ও মায়ানমারের সাথে সীমান্ত রয়েছে রাঙামাটি জেলার।
Q142
Bkash কোন ব্যাংকের জয়েন্ট ভেঞ্চার হিসেবে কাজ করে?
a
ব্র্যাক ব্যাংক
✅ Correct
b
জনতা ব্যাংক
✅ Correct
c
গ্রামীণ ব্যাংক
✅ Correct
d
ডাচ-বাংলা ব্যাংক
✅ Correct
💡
Explanation:
ব্র্যাক ব্যাংক' বাংলাদেশের স্বায়ত্বশাসিত বাণিজ্যিক ব্যাংক। এটি Bkash ব্যাংকের এজেন্ট হিসেবে কাজ করে।
Q143
বাংলাদেশে বাস নেই এমন উপজাতির নাম-
a
মাওরি
✅ Correct
b
সাঁওতাল
✅ Correct
c
মুরং
✅ Correct
d
গারো
✅ Correct
💡
Explanation:
মাওরি' হলো নিউজিল্যান্ডে বসবাসকারী উপজাতি। অপরদিকে সাঁওতাল, মুরং, গারো হলো বাংলাদেশে বসবাসকারী উপজাতি।
Q144
বাংলার শেষ নবাব সিরাজ-উ-দ্দৌলা কোন যুদ্ধে পরাজিত হন?
a
পলাশী যুদ্ধে
✅ Correct
b
বক্সারের যুদ্ধে
✅ Correct
c
সিপাহি বিদ্রোহে
✅ Correct
d
কর্ণাটকের যুদ্ধে
✅ Correct
💡
Explanation:
১৭৫৭ সালের ২৩ জুন নবাব সিরাজউদ্দৌলা ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মধ্যে পলাশীর প্রান্তরে যে যুদ্ধ সংঘটিত হয় ইতিহাসে তা পলাশীর যুদ্ধ নামে পরিচিত। নবাবের প্রধান সেনাপতি মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকর কারণে নবাব সিরাজউদ্দৌলা পরাজিত হন।
Q145
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়-
A
১৮৯৭ সালে
✅ Correct
B
১৯০২ সালে
✅ Correct
C
১৯২১ সালে
✅ Correct
D
১৯০৫ সালে
✅ Correct
💡
Explanation:
বঙ্গভঙ্গ রদ হলে ব্রিটিশরা পূর্ববঙ্গে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেয় এবং অজন্য ১৯১২ সালে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট নাথান কমিশন গঠিত হয়। ঢাকার নবাব সলিমুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য জমি দান করেন। কোলকাতার হিন্দুদের ব্যাপক বিরোধিতা সত্ত্বেও ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চালু হয়। পরবর্তীতে এটি প্রাচ্যের অক্সফোর্ড নামে খ্যাতি অর্জন করে।
Q146
পাহাড়পুরের বৌদ্ধ বিহারটি কি নামে পরিচিত ছিল?
A
সোমপুর বিহার
✅ Correct
B
ধর্মপাল বিহার
✅ Correct
C
জগদ্দল বিহার
✅ Correct
D
শ্রী বিহার
✅ Correct
💡
Explanation:
নওগাঁ জেলায় অবস্থিত বৌদ্ধ বিহারের নাম সোমপুর বিহার। বৌদ্ধ বিহারের নির্মাতা ধর্মপাল ছিলেন পাল বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট। এটি মধ্যযুগীয় সবচেয়ে বড় বিহার।
Q147
বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ চালু করেছিলেন-
A
লক্ষ্মণ সেন
✅ Correct
B
আকবর
✅ Correct
C
ইলিয়াস শাহ
✅ Correct
D
বিজয় সেন
✅ Correct
💡
Explanation:
কৃষিকাজের সুবিধার্থে মোগল সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১০/১১ মার্চ বাংলা সন প্রবর্তন করেন এবং তা ১৫৫৬ সালের ৫ নভেম্বর তার সিংহাসনে আরোহণের সময় থেকে কার্যকর হয়।
Q148
বাংলায় ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে প্রথম এসেছিল-
A
ইংরেজরা
✅ Correct
B
ওলন্দাজরা
✅ Correct
C
ফরাসিরা
✅ Correct
D
পর্তুগিজরা
✅ Correct
💡
Explanation:
পঞ্চদশ শতকের শেষভাগে পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-দা-গামা আফ্রিকার পশ্চিম-পূর্ব উপকূল ঘুরে বরাবর সমুদ্রপথে ভারতবর্ষে আসার পথ আবিষ্কার করেন। ১৫১৪ খ্রিস্টাব্দে পর্তুগিজ বণিকগণ উড়িষ্যার অন্তর্গত পিপলি নামক স্থানে সর্বপ্রথম বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে। ১৫১৭ খ্রিস্টাব্দে জো-ডি-সিলভেরা নামক জনৈক পর্তুগিজ সমর অধিনায়ক এক * নৌবহর নিয়ে চট্টগ্রামে আসেন ও বাণিজ্য কুঠি স্থাপনের চেষ্টায় ব্যর্থ হন। পরবর্তীতে নুনো-দা-কুনহা নামক জনৈক পর্তুগিজ শাসনকর্তা বাংলায় বাণিজ্য কুঠি স্থাপনের চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকেন। ১৫৩৬ খ্রিস্টাব্দে বাংলার সুলতান মাহমুদ শাহ শের শাহের বিরুদ্ধে পর্তুগিজদের সাহায্যের আশায় চট্টগ্রাম ও সপ্তগ্রামে (হুগলি) বাণিজ্য কুঠি নির্মাণের অনুমতি দেন। এভাবে বাংলায় পর্তুগিজদের প্রতিষ্ঠা হয়। উল্লেখ্য, ১৬০২ সালে ওলন্দাজরা, ১৬০০ সালে ইংরেজরা এবং ১৬৬৪ সালে ফরাসিরা বাংলায় আগমন করেন।
Q149
বাংলাদেশের লোকশিল্প জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
A
চট্টগ্রামে
✅ Correct
B
সোনারগাঁওয়ে
✅ Correct
C
বগুড়ায়
✅ Correct
D
রামপালে
✅ Correct
💡
Explanation:
বাংলাদেশের লোকশিল্পের অতীত কীর্তিসমূহ (নকশী কাঁথা, মাটির পাত্র, বেত, কাঁসা, মসলিন বস্ত্র, তৈজসপত্র ইত্যাদি) সংরক্ষণের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁওয়ে লোকশিল্প জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে। ১৯৯৬ সালের ৬ অক্টোবর সোনারগাঁও লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের নাম পরিবর্তন করে 'শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন' জাদুঘর করা হয়েছে।
Q150
বিখ্যাত সাধক শাহ সুলতান বলখীর মাজার কোথায়?
A
মহাস্থানগড়ে
✅ Correct
B
শাহজাদপুরে
✅ Correct
C
নেত্রকোনায়
✅ Correct
D
রামপালে
✅ Correct
💡
Explanation:
বিখ্যাত শাহ সুলতান বলখী মাহীসাওয়ার ক্ষত্রীয় নরপতি পরশুরামকে পরাজিত করে এখানে ইসলামের বিজয় পতাকা উড্ডীন করেন। তাঁর মাজারটি বগুড়া শহর থেকে ১০ কিমি দূরে মহাস্থানের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে অবস্থিত। মহাস্থানগড়ের প্রধান নিদর্শনগুলো হলো বৈরাগী ভিটা, গোবিন্দ ভিটা, খোদাই পাথর ভিটা, সভাবাটি, শীলা দেবীর ঘাট, পরশুরামের প্রাসাদ ইত্যাদি।