সাধারণ বিজ্ঞান
Study all questions from সাধারণ বিজ্ঞান subject
📝 456 Questions
📄 Showing 121-130
questions per page
Page 13 of 46
Q121
পারমাণবিক চুল্লীতে তাপ পরিবাহক হিসেবে কোন ধাতু ব্যবহৃত হয়?
a
জিংক
✅ Correct
b
ম্যাগনেসিয়াম
✅ Correct
c
পটাসিয়াম
✅ Correct
d
সোডিয়াম
✅ Correct
💡
Explanation:
পারমাণবিক চুল্লির জন্য অতি উপযোগী তাপ স্থানান্তরকারী বা তাপ পরিবাহক পদার্থ হলো ক্ষার ধাতুসমূহ। কারণ এদের রয়েছে চমৎকার তাপ স্থানান্তর ধর্ম। আবার ক্ষার ধাতুসমূহ যেমন- লিথিয়াম (Li), সোডিয়াম (Na), পটাসিয়াম (K) প্রভৃতির মধ্যে সোডিয়াম হলো সর্বাপেক্ষা আকর্ষণীয়। কারণ এর রয়েছে অপেক্ষাকৃত নিম্ন গলন বিন্দু এবং অতি উচ্চ তাপ-স্থানান্তর সহগ (Heat transfer coefficient)। তাছাড়া সোডিয়াম সহজলভ্য এবং তুলনামূলকভাবে এর মূল্য কম। এজন্য পারমাণবিক চুল্লিতে সাধারণত তাপ পরিবাহক হিসেবে সোডিয়াম ধাতু ব্যবহৃত হয়।
Q122
কোন ধাতু পানি অপেক্ষা হালকা?
a
পটাসিয়াম
✅ Correct
b
সোডিয়াম
✅ Correct
c
ক্যালসিয়াম
✅ Correct
d
ম্যাগনেসিয়াম
✅ Correct
💡
Explanation:
সোডিয়াম (Na), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), পটাসিয়াম (K) ও ক্যালসিয়াম (Ca)-এর পারমাণবিক সংখ্যা যথাক্রমে 11, 12, 19 ও 20 এবং এদের আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর যথাক্রমে 23.0, 24.3, 39.1 ও 40.1। উল্লিখিত ধাতুসমূহের মধ্যে সোডিয়ামের আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর সবচেয়ে কম হওয়ায় এটি অন্য তিনটি ধাতু অপেক্ষা হালকা এবং সোডিয়াম পানি অপেক্ষাও হালকা।
Q123
নিচের কোনটি ক্ষারকীয় অক্সাইড?
a
ZnO
✅ Correct
b
CO
✅ Correct
c
MgO
✅ Correct
d
P0
✅ Correct
Q124
জারণ বিক্রিয়ায় কি ঘটে?
a
শুধু তাপ উৎপন্ন হয়
✅ Correct
b
ইলেক্ট্রন বর্জন
✅ Correct
c
ইলেক্ট্রন আদান-প্রদান
✅ Correct
d
ইলেক্ট্রন গ্রহণ
✅ Correct
💡
Explanation:
যে বিক্রিয়ায় কোনো রাসায়নিক সত্তা ইলেকট্রন প্রদান করে তাকে জারণ বলে এবং যে বিক্রিয়ায় কোনো রাসায়নিক সত্তা ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে বিজারণ বলে। অর্থাৎ জারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের বর্জন এবং বিজারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের গ্রহণ ঘটে।
Q125
বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট কি ধাতু দিয়ে তৈরি?
a
তামা
✅ Correct
b
টাংস্টেন
✅ Correct
c
সীসা
✅ Correct
d
সংকর ধাত
✅ Correct
💡
Explanation:
বৈদ্যুতিক বাল্বের (Electric bulb) ভিতরে ফিলামেন্ট নামক বিশেষ এক ধরনের তারের কুণ্ডলী থাকে যার মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে তাপ ও আলো উৎপন্ন হয়। এ ফিলামেন্টটি টাংস্টেন নামক এক প্রকার ধাতুর তৈরি।
Q126
লাল আলোতে নীল রঙের বস্তু কেমন দেখায়?
a
কালো
✅ Correct
b
হলুদ
✅ Correct
c
সবুজ
✅ Correct
d
বেগুনী
✅ Correct
💡
Explanation:
কোনো নির্দিষ্ট রঙের বস্তু শুধু ঐ নির্দিষ্ট রঙের আলোক রশ্মিই প্রতিফলিত করে এবং বাকি সব রঙের আলোক রশ্মিই শোষণ করে নেয়। আমরা জানি সাদা আলো হচ্ছে সাতটি ভিন্ন ভিন্ন রঙের আলোক রশ্মির সমষ্টি। নীল রঙের বস্তুর ওপর সাদা আলোক রশ্মি আপতিত হলে বস্তুটি সাতটি ভিন্ন রঙের আলোক রশ্মির মধ্য থেকে শুধু নীল আলোক রশ্মিই প্রতিফলিত করে এবং বাকি ছয়টি রঙের আলোক রশ্মিকে শোষণ করে নেয়। বস্তুটি থেকে নীল আলোক রশ্মি প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে আসার কারণে আমরা একে নীল দেখি। কিন্তু নীল রঙের বস্তুর ওপর লাল আলোক রশ্মি আপতিত হলে বস্তুটি আলোই আর প্রতিফলিত করে না। এজন্য লাল আলোতে নীল রঙের বস্তু কালো দেখায়।
Q127
চাঁদ দিগন্তের কাছে অনেক বড় দেখায় কেন?
a
দৃষ্টিভ্রমে
✅ Correct
b
অপাবর্তনে
✅ Correct
c
আলোর বিচ্ছুরণে
✅ Correct
d
বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণে
✅ Correct
💡
Explanation:
চাঁদ থেকে আলোক রশ্যি পৃথিবীপৃষ্ঠে আসার সময় পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে আলোর প্রতিসরণ ঘটে অর্থাৎ আলোক রশ্মি বেঁকে যায়। চাঁদ যখন দিগন্তের কাছে থাকে তখন আলোক রশ্মি তুলনামূলকভাবে অধিক পরিমাণে বেঁকে যায়। এ কারণে দিগন্তের নিকটে চাঁদ ও সূর্যকে ডিম্বাকৃতি এবং তুলনামূলকভাবে বড় দেখা যায়।
Q128
যে সকল নিউক্লিয়াসের নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা সমান নয়, তাদের কি বলা হয়?
a
আইসোবার
✅ Correct
b
আইসোমার
✅ Correct
c
আইসোটোন
✅ Correct
d
আইসোটোপ
✅ Correct
💡
Explanation:
যেসব নিউক্লিয়াসের প্রোটন সংখ্যা (পারমাণবিক সংখ্যা) একই, কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে আইসোটোপ বলে। যেসব নিউক্লিয়াসের নিউট্রন সংখ্যা সমান, কিন্তু ভর সংখ্যা সমান নয় তাদেরকে আইসোটোন বলে। যেসব নিউক্লিয়াসের ভর সংখ্যা একই, কিন্তু প্রোটন সংখ্যা (পারমাণবিক সংখ্যা) ভিন্ন তাদেরকে আইসোবার বলে। যেসব নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা ও ভর সংখ্যা একই, কিন্তু শক্তি অবস্থা (Energy state) ভিন্ন তাদেরকে আইসোমার বলা হয়।
Q129
ফটোইলেকট্রিক কোষের উপর আলো পড়লে কি উৎপন্ন হয়?
a
চুম্বক
✅ Correct
b
তাপ
✅ Correct
c
বিদ্যুৎ
✅ Correct
d
কিছুই হয় না
✅ Correct
💡
Explanation:
ফটোইলেকট্রিক কোষ হলো বিশেষ এক ধরনের ডায়োড, যার ওপর আলোক পড়লে আলোক শক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। গতিশীল চার্জের কারণে চৌম্বক ক্ষেত্র সৃষ্টি হয়।
Q130
সবচেয়ে শক্তিশালী সৌরচুল্লি তৈরি করা হয়েছে কোন দেশে?
a
নেপাল
✅ Correct
b
জাপান
✅ Correct
c
ভারত
✅ Correct
d
যুক্তরাষ্ট্র
✅ Correct
💡
Explanation:
বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী Solar Power Station-এর নাম হচ্ছে SEGS (Solar Energy Generating Systems), যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের মোজাব (Mojace) মরুভূমিতে অবস্থিত। এটি প্রকৃতপক্ষে কোনো একক পাওয়ার প্লান্ট নয়, বরং এটি একত্রে নয়টি পাওয়ার প্লান্ট সহযোগে একটি সোলার পাওয়ার স্টেশন এবং এর মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৩৫৪ মেগাওয়াট।