বাংলা ভাষা
Chapter: ভাষা ও ব্যাকরণ
📝 85 Questions
📄 Showing 1-10
questions per page
Page 1 of 9
Q1
ব্যবহারকারীর সংখ্যা বিবেচনায় বাংলা ভাষা বিশ্বের কততম প্রধান ভাষা।
a
ষষ্ঠ
✅ Correct
b
সপ্তম
✅ Correct
c
চতুর্থ
✅ Correct
d
পঞ্চম
✅ Correct
💡
Explanation:
আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান Ethnologue এর রিপোর্ট- ২০২৫ অনুযায়ী, ব্যবহারকারীর সংখ্যা বিবেচনায় বাংলা ভাষার অবস্থান সপ্তম এবং মাতৃভাষা অনুসারে শীর্ষ ব্যবহৃত ভাষার তালিকায় বাংলা ভাষার অবস্থান পঞ্চম। উল্লেখ্য, নবম-দশম শ্রেণির নতুন ব্যাকরণ অনুসারে, মাতৃভাষী মোট জনসংখ্যার ভিত্তিতে বাংলা পৃথিবীর ষষ্ঠ বৃহত্তম ভাষা।
Q2
'ব্যাকরণ' শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ কী?
a
বিশেষভাবে সংযোজন
✅ Correct
b
সাধারণ সংশ্লেষণ
✅ Correct
c
বিশেষভাবে বিশ্লেষণ
✅ Correct
d
সাধারণ বিশ্লেষণ
✅ Correct
💡
Explanation:
'ব্যাকরণ' শব্দটি সংস্কৃত থেকে এসেছে। 'ব্যাকরণ' (বি+আ+√কৃ+অন) শব্দটির ব্যুৎপত্তিগত অর্থ বিশেষভাবে বিশ্লেষণ। ভাষার অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা আবিষ্কারের নামই ব্যাকরণ। ব্যাকরণ ভাষার প্রকৃতি ও স্বরূপ বিশ্লেষণ করে এবং অভ্যন্তরীণ নিয়মকানুন, রীতিনীতি শৃঙ্খলাবদ্ধ করে থাকে। গ্রিসকে ব্যাকরণ চর্চার আদিভূমি হিসেবে উল্লেখ করা হয়। প্লেটোর বিখ্যাত 'ডায়ালগ'-এ ব্যাকরণের কিছু নিয়ম-কানুনের উল্লেখ আছে। এরিস্টটল তাঁর 'পোয়েটিকস' গ্রন্থে ধ্বনিতত্ত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। খ্রিষ্টপূর্ব দ্বিতীয় শতকে ডাইওনোসাস থ্রাক্স তাঁর 'গ্রাম্মাতিকেই থাকনি' গ্রন্থে প্রথম গ্রিক ভাষায় 'রূপতত্ত্ব' নিয়ে আলোচনা করেন। এটি গ্রিক ব্যাকরণ রচনার প্রথম প্রয়াস।
Q3
সাধুরীতি ও চলিতরীতির পার্থক্য কোন পদে বেশি?
a
সর্বনাম ও বিশেষ্য
✅ Correct
b
ক্রিয়া ও অব্যয়
✅ Correct
c
অব্যয় ও ক্রিয়া
✅ Correct
d
ক্রিয়া ও সর্বনাম
✅ Correct
💡
Explanation:
সংস্কৃত ভাষা থেকে উৎপন্ন ভাষাকে সাধু ভাষা হিসেবে অভিহিত করা হয়। সাধারণ মানুষের মুখের ভাষাকে চলিত ভাষা বলে। সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য হলো: সাধু রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল কিন্তু চলিত রীতি তদ্ভব শব্দবহুল ও পরিবর্তনশীল। সাধু রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে। অপরদিকে, চলিত রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ পরিবর্তিত ও সহজতর রূপ লাভ করে। সাধু রীতিতে সর্বনাম, ক্রিয়া ও অনুসর্গের পূর্ণরূপ ব্যবহার করা হয়। অপরদিকে, চলিত রীতিতে সর্বনাম, ক্রিয়া ও অনুসর্গের সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহার করা হয়। যেমন: অতঃপর তাহারা চলিয়া গেল (সাধু)। তারপর তারা চলে গেল (চলিত)। পার হইয়া (সাধু), পেরিয়ে (চলিত); বন্য (সাধু), বুনো (চলিত); অদ্য (সাধু), আজ (চলিত); জুতা (সাধু), জুতো (চলিত)।
Q4
সাধু ভাষায় কোন শব্দের প্রাধান্য বেশি?
a
দেশি
✅ Correct
b
তদ্ভব
✅ Correct
c
বিদেশি
✅ Correct
d
তৎসম
✅ Correct
💡
Explanation:
সংস্কৃত ভাষা থেকে হিসেবে অভিহিত করা হয়। এ ভাষায় তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের প্রাধান্য বেশি। উনিশ শতকের শুরুতে সাধু রীতির বিকাশ ঘটে। বাংলা গদ্যের প্রথম যুগে সাধু রীতির ব্যাপক প্রচলন ছিল। রাজা রামমোহন রায় প্রথম সাধু ভাষার প্রয়োগ করেন।
Q5
শিশুর ভাষা শিক্ষার প্রথম মাধ্যম কে?
a
মা
✅ Correct
b
বাবা
✅ Correct
c
আত্মীয়-স্বজন
✅ Correct
d
শিক্ষক
✅ Correct
💡
Explanation:
জন্মের পরই শিশুর মাতা-পিতার মধ্যে অধিকতর কাছের মানুষ হলেন মা। আর সামাজিকীকরণের প্রথম সূত্রপাত ঘটে মায়ের কাছে। ফলে শিশুর ভাষা শিক্ষার প্রথম মাধ্যম মা। মা শিশুর প্রতি যেসব খাদ্যের ঝোঁক সৃষ্টি করেন, শিশুর খাদ্যাভাস ও আচরণে তার প্রভাব লক্ষ করা যায়।
Q6
ব্যাকরণের কাজ কী?
a
নতুন ভাষা তৈরি করা
✅ Correct
b
ভালো বক্তা তৈরি করা
✅ Correct
c
ভাষার অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা রক্ষা করা
✅ Correct
d
দ্রুত পড়া ও লেখা শেখানো
✅ Correct
💡
Explanation:
'ব্যাকরণ' শব্দটি সংস্কৃত থেকে এসেছে। 'ব্যাকরণ' (বি+আ+√কৃ+অন) শব্দটির ব্যুৎপত্তিগত অর্থ বিশেষভাবে বিশ্লেষণ। ভাষার অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা আবিষ্কারের নামই ব্যাকরণ। ব্যাকরণ ভাষার প্রকৃতি ও স্বরূপ বিশ্লেষণ করে এবং অভ্যন্তরীণ নিয়মকানুন, রীতিনীতি শৃঙ্খলাবদ্ধ করে থাকে। গ্রিসকে ব্যাকরণ চর্চার আদিভূমি হিসেবে উল্লেখ করা হয়। প্লেটোর বিখ্যাত 'ডায়ালগ'-এ ব্যাকরণের কিছু নিয়ম-কানুনের উল্লেখ আছে। এরিস্টটল তাঁর 'পোয়েটিকস' গ্রন্থে ধ্বনিতত্ত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। খ্রিষ্টপূর্ব দ্বিতীয় শতকে ডাইওনোসাস থ্রাক্স তাঁর 'গ্রাম্মাতিকেই থাকনি' গ্রন্থে প্রথম গ্রিক ভাষায় 'রূপতত্ত্ব' নিয়ে আলোচনা করেন। এটি গ্রিক ব্যাকরণ রচনার প্রথম প্রয়াস।
Q7
বাগযন্ত্রের অংশ কোনটি?
a
স্বরযন্ত্র
✅ Correct
b
দাঁত
✅ Correct
c
ফুসফুস
✅ Correct
d
সবকটি
✅ Correct
💡
Explanation:
ধ্বনি উচ্চারণ করতে যেসব প্রত্যঙ্গ কাজে লাগে, সেগুলোকে একত্রে বাগ্যন্ত্র বলে। মানবদেহের উপরিভাগে অবস্থিত ফুসফুস থেকে শুরু করে ঠোঁট পর্যন্ত ধ্বনি উৎপাদনে ব্যবহৃত প্রতিটি প্রত্যঙ্গই বাগযন্ত্রের অন্তর্ভুক্ত। বাগ্যন্ত্রসমূহ হলো: দাঁত, দন্তমূল, জিভ, আলজিভ, অধিজিহ্বা, কোমল তালু, শক্ত তালু, ওষ্ঠ, নাসারন্ধ, নাসিকা গহ্বর, মুখ গহ্বর, নিচের চোয়াল, গলবিলীয় গহ্বর, স্বরযন্ত্র, খাদ্যনালী, শ্বাসনালী, ফুসফুস।
Q8
বাংলা মুদ্রাক্ষরের জনক বলা হয় কাকে?
a
ফোর্ট উইলিয়াম
✅ Correct
b
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
✅ Correct
c
রজনীকান্ত
✅ Correct
d
চার্লস উইলকিন্স
✅ Correct
💡
Explanation:
ওয়ারেন হেস্টিংস এর অনুরোধে নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড বাংলা ব্যাকরণের বই লিখার পর ছাপার যন্ত্র বা বাংলা মুদ্রণ হরফ না থাকায় হেস্টিংস তাঁর অধীনস্ত কর্মচারী চার্লস্ উইলকিন্সকে হরফ তৈরির নির্দেশ দেন। উইলকিন্স পরে পঞ্চানন কর্মকারের সহায়তায় বাংলা মুদ্রণ হরফ তৈরি করেন। ১৭৭৮ সালে তিনি হুগলিতে প্রথম বাংলা ছাপাখানা প্রতিষ্ঠিত করেন এবং নিজেই বাংলা অক্ষরের নকশা তৈরি করেন বলে তাঁকে বাংলা মুদ্রাক্ষরের জনক বলা হয়।
Q9
বচন ও লিঙ্গ ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচ্য বিষয়?
a
ভাষাতত্ত্ব
✅ Correct
b
রূপতত্ত্ব
✅ Correct
c
ধ্বনিতত্ত্ব
✅ Correct
d
বাক্যতত্ত্ব
✅ Correct
💡
Explanation:
আলোচ্য বিষয় - শাখা
ধ্বনিতত্ত্ব - [ধ্বনি, ধ্বনি পরিবর্তন, ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান, সন্ধি। ]
শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব - [বচন, লিঙ্গ, শব্দ, দ্বিরুক্ত শব্দ, পারিভাষিক শব্দ, পদাশ্রিত নির্দেশক, সমাস, প্রত্যয়, উপসর্গ, অনুসর্গ, ধাতু, পদ, অনুজ্ঞা, ক্রিয়ার কাল, পুরুষ। ]
অর্থতত্ত্ব - [ শব্দের অর্থবিচার, বিপরীত শব্দ, প্রতিশব্দ, বাগধারা। ]
বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম - [ বাক্য, উক্তি, বাচ্য, বিরামচিহ্ন, কারক। ]
Q10
সব ভাষায় ব্যাকরণের কয়টি মৌলিক অংশ থাকে?
a
৫টি
✅ Correct
b
১০টি
✅ Correct
c
৬টি
✅ Correct
d
৪টি
✅ Correct
💡
Explanation:
ব্যাকরণের মৌলিক অংশ ৪টি। আলোচ্য বিষয় ধ্বনিতত্ত্ব -(ধ্বনি, ধ্বনি পরিবর্তন, ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান, সন্ধি)
শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব - ( বচন, লিঙ্গ, শব্দ, দ্বিরুক্ত শব্দ, পারিভাষিক শব্দ, পদাশ্রিত নির্দেশক, সমাস, প্রত্যয়, উপসর্গ, অনুসর্গ, ধাতু, পদ, অনুজ্ঞা, ক্রিয়ার কাল, পুরুষ )
অর্থতত্ত্ব - (শব্দের অর্থবিচার, বিপরীত শব্দ, প্রতিশব্দ, বাগধারা)
বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম - ( বাক্য, উক্তি, বাচ্য, বিরামচিহ্ন, কারক )