বাংলা ভাষা
Chapter: ভাষা ও ব্যাকরণ
📝 85 Questions
📄 Showing 41-50
questions per page
Page 5 of 9
Q41
বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত গ্রন্থের রচয়িতা কে?
a
সুকুমার সেন
✅ Correct
b
দীনেশচন্দ্র সেন
✅ Correct
c
সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
✅ Correct
d
মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
✅ Correct
💡
Explanation:
বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত গ্রন্থের লেখক বাংলাদেশের প্রখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ। তার অন্যান্য গ্রন্থের মধ্যে বাংলা সাহিত্যের কথা, ভাষাতত্ত্ব ভাষা ও সাহিত্য, অমিয় শতক (অনুবাদ গ্রন্থ) এবং রুবাইয়াত ই ওমর খ্যায়াম (অনুবাদ গ্রন্থ)।
Q42
একদা মরণ-সমুদ্রের বেলাভূমিতে দাঁড়াইয়া কোন এক আরবীয় সাধক বলিয়াছিলেন'- এ বাক্যাংশটি কোন রীতিতে লিখিত?
a
বিদেশী রীতি
✅ Correct
b
মিশ্র রীতি
✅ Correct
c
সাধু রীতি
✅ Correct
d
চলিত রীতি
✅ Correct
Q43
ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ কে রচনা করেন?
a
মুহম্মদ এনামুল হক
✅ Correct
b
ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
✅ Correct
c
সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়
✅ Correct
d
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
✅ Correct
Q44
পার হইয়া-এর চলিতরূপ কোনটি?
a
পার হয়ে
✅ Correct
b
পার হইয়ে
✅ Correct
c
পারি হয়ে
✅ Correct
d
পারিয়া
✅ Correct
Q45
চলিতরীতির প্রবর্তক কে?
a
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
✅ Correct
b
প্রমথ চৌধুরী
✅ Correct
c
কাজী নজরুল ইসলাম
✅ Correct
d
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
✅ Correct
💡
Explanation:
বাংলা সাহিত্যে চলিতরীতির প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরী। তিনি হালখাতা গদ্যগ্রন্থে প্রথম চলিতরীতির প্রয়োগ ঘটান এবং ১৯১৪ সালে সবুজপত্র পত্রিকা প্রকাশের মাধ্যমে চলিত রীতির প্রয়োগকে প্রতিষ্ঠা করেন। অপরদিকে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের জনক এবং যতিচিহ্নের প্রবর্তক। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ছোটগল্পের জনক এবং কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহী কবি হিসেবে সমধিক পরিচিত।
Q46
ব্যুৎপত্তিগতভাবে ব্যাকরণ শব্দের অর্থ হলো-
a
সংক্ষেপণ
✅ Correct
b
ভাবের বিনিময়
✅ Correct
c
বিশেষভাবে বিশ্লেষণ
✅ Correct
d
মিলন
✅ Correct
💡
Explanation:
ব্যাকরণ সংস্কৃত ভাষা হতে আগত শব্দ। ব্যাকরণ (বি + আ + √কৃ + অন) শব্দটির ব্যুৎপত্তিগত অর্থ বিশেষভাবে বিশ্লেষণ। ভাষার অভ্যন্তরীণ নিয়ম শৃঙ্খলা আবিষ্কারের নামই ব্যাকরণ। ব্যাকরণকে ভাষার সংবিধান বলা হয়।
Q47
বাঙালির দৈহিক গড়নে সবচেয়ে বেশি মিল রয়েছে কোন জাতিগোষ্ঠীর সাথে?
a
নিগ্রয়েড
✅ Correct
b
অস্ট্রালয়েড
✅ Correct
c
ককেশয়েড
✅ Correct
d
মোঙ্গলয়েড
✅ Correct
💡
Explanation:
বাঙালির দৈহিক গড়নে সবচেয়ে বেশি সাদৃশ্য রয়েছে অস্ট্রিক বা অস্ট্রালয়েড জাতিগোষ্ঠীর সাথে। অস্ট্রিক বা আদি অস্ট্রেলিয় জাতি থেকেই বাঙালি জাতির প্রধান অংশ গড়ে ওঠে। এরা নিষাদ জাতি নামেও পরিচিত।
Q48
সাধু ও চলিত ভাষার প্রধান পার্থক্য
a
ভাষার জটিলতা ও প্রাঞ্জলতায়
✅ Correct
b
শব্দের কথ্য ও লেখ্য রূপের ভিন্নতায়
✅ Correct
c
ক্রিয়া ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতায়
✅ Correct
d
বাক্যের গঠন প্রক্রিয়ায়
✅ Correct
💡
Explanation:
সাধু ও চলিত রীতির ভাষার মূল পার্থক্য হলো ক্রিয়া ও সর্বনাম পদের ব্যবহারে। যেমন- তাঁহারা জুতা খুলিয়া ঘরে প্রবেশ করিল (সাধুরীতি); তাঁরা জুতো খুলে ঘরে প্রবেশ করল (চলিত রীতি)। সাধু ভাষা সর্বনাম ও ক্রিয়াপদে এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে আর চলিত ভাষা ক্রিয়া ও সর্বনাম পদের পরিবর্তিত ও সহজতর রূপ লাভ করে।
Q49
ভাষার কোন রীতি তৎসম শব্দবহুল?
a
লেখ্যরীতি
✅ Correct
b
কথ্যরীতি
✅ Correct
c
চলিতরীতি
✅ Correct
d
সাধুরীতি
✅ Correct
💡
Explanation:
উনিশ শতকের শুরুতে সাধুরীতির বিকাশ ঘটে। সাধুরীতি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দবহুল। সাধুরীতির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এ রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল। দাপ্তরিক কাজ, সাহিত্য রচনা, যোগাযোগ ও জ্ঞানচর্চার প্রয়োজনে লেখ্য বাংলা ভাষায় সাধু রীতির জন্ম হয়। রাজা রামমোহন রায় প্রথম সাধু ভাষার প্রয়োগ করেন।
Q50
সাধু ও চলিত রীতিতে অভিন্নরূপে ব্যবহৃত হয়-
a
ক্রিয়া
✅ Correct
b
সম্বোধন পদ
✅ Correct
c
সর্বনাম
✅ Correct
d
অব্যয়
✅ Correct
💡
Explanation:
সাধুরীতি সংস্কৃত ভাষা হতে উৎপত্তি লাভ করে। আর চলিতরীতি হচ্ছে সাধারণ মানুষের মুখের ভাষা। সাধু ও চলিত উভয় রীতিতে কোনো পরিবর্তন না হয়ে অভিন্নরূপে ব্যবহৃত হয় অব্যয় পদ। যেমন- শিবলী এবং সাদিক অদ্য বাড়িতে গিয়েছে। এখানে অব্যয় এবংশব্দটি সাধু এবং চলিত উভয় রীতিতে অভিন্নরূপে ব্যবহৃত হবে।