নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন
Study all questions from নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন subject
📝 15 Questions
📄 Showing 1-10
questions per page
Page 1 of 2
Q1
শিক্ষার্থীর সার্বিক বিকাশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের জন্য নিচের কোন গুচ্ছটি সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ।
a
পেশাগত জ্ঞান, দক্ষতা ও অনুশীলন
✅ Correct
b
তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি
✅ Correct
c
ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন
✅ Correct
d
উদ্ভাবন ও বিজ্ঞান
✅ Correct
💡
Explanation:
শিক্ষক শ্রেণিকক্ষের প্রাণ। তাকে ঘিরেই পঠন-পাঠন প্রক্রিয়া আবর্তিত হয়। তাই তার দায়িত্ব-কর্তব্যও অনেক। এসব দায়িত্বের কিছু ব্যক্তিগত কিছু প্রতিষ্ঠান-প্রশাসন কেন্দ্রিক ও কিছু শিক্ষার্থী কেন্দ্রিক। শিক্ষার্থীর সার্বিক বিকাশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের পেশাগত জ্ঞান, দক্ষতা ও অনুশীলন সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ কর্তব্য হিসেবে বিবেচিত।
Q2
আধুনিক আমলাতন্ত্রের জনক কে?
a
অ্যানলবি
✅ Correct
b
ফাইনার
✅ Correct
c
ডাইসি
✅ Correct
d
ম্যাক্স ওয়েবার
✅ Correct
Q3
গণতন্ত্রের মূলমন্ত্র কী?
a
অধিকার, দায়িত্ব ও কর্তব্য
✅ Correct
b
সাম্য, স্বাধীনতা ও ভ্রাতৃত্ব
✅ Correct
c
সাম্য, স্বাধীনতা ও অধিকার
✅ Correct
d
সাম্য, স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা
✅ Correct
Q4
ই-গভর্নেন্স বলতে কী বোঝায়?
a
ইজি গভর্নেন্স
✅ Correct
b
ইলেকট্রনিক গভর্নেন্স
✅ Correct
c
ইলেক্টেড গভর্নেন্স
✅ Correct
d
ইলেক্টিভ গভর্নেন্স
✅ Correct
Q5
ইদানীং আপনার মনে হচ্ছে সংসারে আপনার গুরুত্ব হ্রাস পাচ্ছে। আপনি এমন অবস্থায়-
a
ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করে মন খারাপ করবেন
✅ Correct
b
সংসারের প্রতি গভীর মনোযোগ দেবেন
✅ Correct
c
বন্ধুদের সাথে বিষয়টি আলাপ করবেন
✅ Correct
d
উত্তরা খুবই হতাশাবোধ করবেন
✅ Correct
Q6
তথ্য পাওয়া মানুষের কী ধরনের অধিকার?
a
সামাজিক
✅ Correct
b
মৌলিক
✅ Correct
c
অর্থনৈতিক
✅ Correct
d
রাজনৈতিক
✅ Correct
💡
Explanation:
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগের ৩৯ নং অনুচ্ছেদে চিন্তা, বিবেক ও বাক-স্বাধীনতাকে অন্যতম মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং তথ্য প্রাপ্তির অধিকার চিন্তা, বিবেক ও বাক-স্বাধীনতার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। সুতরাং তথ্য পাওয়া মানুষের মৌলিক অধিকারের অন্তর্ভুক্ত। নাগরিকের রাজনৈতিক অধিকারের অন্তর্ভুক্ত হলো ভোটদান, নির্বাচনে অংশগ্রহণ, রাজনৈতিক দল গঠন প্রভৃতি। জীবনধারণ, জনস্বাস্থ্য ও শিক্ষা, মতামত প্রকাশ, ধর্মচর্চা, সম্পত্তি ভোগ প্রভৃতি নাগরিকেরা সামাজিক অধিকার হিসেবে এবং কর্ম, ন্যায্য মজুরি, সামাজিক নিরাপত্তা ইত্যাদি অর্থনৈতিক অধিকার হিসেবে ভোগ করে।
Q7
অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে
a
প্রতিষ্ঠিত হয়
✅ Correct
b
আইনের শাসন
✅ Correct
c
বিনিয়োগ বৃদ্ধি পায়
✅ Correct
d
দুর্নীতি দূর হয়
✅ Correct
💡
Explanation:
সুশাসনের অর্থনৈতিক গুরুত্ব অপরিসীম। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে উৎপাদন খাতে বিনিয়োগ করতে যে সকল বাধা-বিপত্তি যেমন-কালো বাজারি, মজুদদারী, একচেটিয়া কারবার প্রভৃতি দূর হয়। নতুন নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হয়, যারা তাদের উদ্ভাবনী শক্তি প্রয়োগের সুযোগ পায়। ফলে দেশের সার্বিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি পায়। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে দুর্নীতি দূর হবে এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে একথা বলা যাবে না করণ এ দুটি বিষয় অনেক ব্যাপক। দুর্নীতি আর আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ব্যাপারটি কেবল অর্থনৈতিক ক্ষেত্রের সাথে জড়িত নয়।
Q8
মূল্যবোধের চালিকা শক্তি হলো-
a
সুশাসন
✅ Correct
b
সংস্কৃতি
✅ Correct
c
গণতন্ত্র
✅ Correct
d
উন্নয়ন
✅ Correct
💡
Explanation:
সমাজজীবনে মানুষের ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত আচার-ব্যবহার এবং কর্মকাণ্ডের সবকিছু পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয় মূল্যবোধ দ্বারা। মানুষ হিসেবে যে সকল কর্মকাণ্ড আমরা করে থাকি তা সংস্কৃতি দ্বারাই নিয়ন্ত্রিত ও প্রভাবিত। সমাজভেদে মানুষের আচার-আচরণে যে পার্থক্য লক্ষ্য করা যায় তা মূলত সংস্কৃতির পার্থক্যের জন্যই। মূল্যবোধ হলো একটি কাঙ্ক্ষিত উপাদান যা ব্যক্তি সমাজের নিকট থেকে এবং সমাজ ব্যক্তির নিকট থেকে প্রত্যাশা করে। আর সংস্কৃতিই যেহেতু মানুষকে তার কাঙ্ক্ষিত আচরণটি শেখায়, তাই স্বাভাবিকভাবেই সংস্কৃতি মূল্যবোধের চালিকা শক্তি।
Q9
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নাগরিকের কর্তব্য হলো
a
নিয়মিত কর প্রদান করা
✅ Correct
b
সৎভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য করা
✅ Correct
c
নিজের অধিকার ভোগ করা
✅ Correct
d
সরকার পরিচালনায় সাহায্য করা
✅ Correct
💡
Explanation:
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নাগরিকের দায়িত্ব ও কর্তব্য অনেক। রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া, সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচন, সংবিধান মান্য করা, সততা ও নিষ্ঠার সাথে সরকারি কাজ সম্পাদন, জাতীয় সম্পত্তি ও শৃংখলা রক্ষা করা প্রভৃতি দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে একজন নাগরিক প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সরকার পরিচালনায় সাহায্য করে থাকে, যা যে কোনো দেশের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় জরুরি। নিয়মিত কর প্রদান করার মাধ্যমে একজন নাগরিক সরকার পরিচালনায় সাহায্য করে থাকে। নিজের অধিকার ভোগ একান্তই নাগরিকের ব্যাপার, যার সাথে সুশাসন প্রতিষ্ঠার কোনো সম্পর্ক নেই। সৎভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
Q10
জাতিসংঘের অভিমত অনুসারে সুশাসনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো-
a
নারীদের উন্নয়ন ও সুরক্ষা
✅ Correct
b
মৌলিক অধিকার রক্ষা
✅ Correct
c
মৌলিক স্বাধীনতার উন্নয়ন
✅ Correct
d
দারিদ্র বিমোচন
✅ Correct
💡
Explanation:
১৯৮০-এর দশকে বিভিন্ন উন্নয়নশীল দেশে বিশেষ করে সাব-সহারান দেশগুলোতে। বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংস্থা কার্যক্রম শুরু করে। এতে ঐসব দেশে অর্থনৈতিক উন্নয়নের। পাশাপাশি আর্থ-সামাজিক কিছু সমস্যার উদ্ভব ঘটে। দাতা সংস্থার পরামর্শে উদ্ভূত। সমস্যা মোকাবিলায় স্ট্রাকচারাল অ্যাডজ্যাস্টমেন্ট নীতি অনুসরণ করলেও তা মানুষের। তেমন কল্যাণ নিশ্চিত করতে পারেনি। এ প্রেক্ষাপটে বিশ্বব্যাংক সুশাসনকে এজেন্ডাভুক্ত করে। জাতিসংঘের অভিমত অনুযায়ী সুশাসনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো 'মৌলিক স্বাধীনতার উন্নয়ন'। জাতিসংঘ সুশাসনের ৮টি উপাদান উল্লেখ করেছে।